অধিক শিক্ষিতদের মাঝেও নাস্তিক হওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।

লস এঞ্জেলসের ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার কিছু স্কলার ২০০৪ সালে একটি গবেষণায় উদঘাটন করেছেন যে যারা ধর্মচর্চা করে তাদের মানসিক স্বাস্থ্য ধর্মহীনদের তুলনায় উন্নত। ২০০৬ সালে টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষকের গবেষণায় দেখা গেছে যে মানুষ ধর্মীয় উপাসনালয়ে যত বেশি যাবে তত বেশি বেঁচে থাকার চান্স রয়েছে। একই বছরে ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকগণ উদঘাটন করেছেন যে ধর্মহীনদের তুলনায় ধর্মবাদীদের জীবন বেশি নিরাপদ

। ‘আ গ্লোবাল পারসপেক্টিভ ইন দা ইপিডিমিওলোজি অফ সুইসাইড’ জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে নাস্তিক দেশগুলোর মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি; যার হার ২৫.৬%। মিসিগ্যান বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক ১৯,৭৭৫ জন মানুষের উপর গবেষণা চালিয়ে দেখেছেন যে, ধর্মবাদীদের তুলনায় ধর্মহীনরা একাকী অবস্থায় সবচেয়ে বেশি ডিপ্রেশনে ভোগে।

হার্ভাড টিএইচ চ্যান স্কুল অফ পাবলিক হেলথ এর গবেষণামতে শিশুদের মধ্যে যারা ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর যৌবনকালে উন্নিত হয় তারা ধর্মহীনদের তুলনায় মানসিকভাবে সুস্থ। অন্য এক গবেষণায় দেখা গেছে যে যারা ধর্মীয় উপাসনায় অংশগ্রহণ করে তারা ধর্মহীনদের তুলনায় মানসিকভাবে সন্তুষ্ট। এবং যারা ধর্ম চর্চা করেনা তারা ধর্মবাদীদের তুলনায় জীবন নিয়ে ডিপ্রেশনে থাকে বেশি।

জ্ঞান আহরণের ক্ষেত্রে একটি ডাইভারশন অফ স্টাডি রয়েছে, যার প্রভাবে অধিক শিক্ষিতদের মাঝেও নাস্তিক হওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়৷ এই টাইপের মানুষগুলো পার্থিব সকল জ্ঞানকে নিজের জ্ঞানের প্রভাবক হিসেবে চিন্তা করে। আরেক শ্রেণীর মানুষ রয়েছে যারা এদের চেয়ে বিপরীত এবং তারাই প্রকৃত জ্ঞানী। সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে নাস্তিকদের গুরু যারা তারাও জীবনের কোনো একসময় স্রস্টার অস্তিত্বহীনতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন।

বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারার পথপ্রদর্শক, দার্শনিক স্যার ফ্রান্সিস বেকন বলেছেন,“যে বিজ্ঞানকে অল্প জানবে সে নাস্তিক হবে, আর যে ভালোভাবে বিজ্ঞানকে জানবে সে অবশ্যই ঈশ্বরে বিশ্বাসী হবে।”

লেখক খোরশেদ আলম

এ জাতীয় আরও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button