আসলে কে এই কামরুল হাসান ডেবিট?

সেই রুকসু নির্বাচনের নব্বই দশকের কথা দক্ষিন বঙ্গের সর্বশ্রেষ্ঠ বিদ্যাপিঠ রাজেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে টানটান উত্তেজনা তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতামুলক নির্বাচন সবারই মনে আজও শিহরণ তোলে।সেই সময় থেকে দেখে আসছি আজকের এই কামরুল হাসান ডেবিট কে,যে কিনা ছাত্রলীগের রাজনীতিতে খুব কম বয়স থেকেই অতঃপ্রত ভাবে জড়িত ছিলেন।

বাবার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন অর্থাৎ বাবা বলতে জনাব জাহিদুর রহমান জাহিদ,সাবেক ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি,সাবেক জেলা যুবলীগের সর্বকালের সফল সভাপতি(একটানা ১৮ বৎসর),বর্তমান ফরিদপুর জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এবং একটানা চার- চারবার নির্বাচিত,তুমুল জনপ্রিয় ও জননন্দিত চেয়ারম্যান(১১ নং গেরদা ইউপি,ফরিদপুর)।তার এই বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে পরিবার বলতে দুই কন্যা,এক পুত্র ও তার স্ত্রী। আর সেই মহান মানুষটির একমাত্র পুত্র বলতে আজকের এই যুব সমাজের আইকন,ফরিদপুরের তরতাজা যুবদের মনের ভেতর যেকিনা তার আদর্শিক বাবার নেতৃত্বগুনে স্বচ্ছ রাজনীতির ধারা যুব সমাজের মধ্যে স্বচ্ছ রাজনীতির বীজ বপণ অব্যাহত রেখেছেন।আর একটু বলে রাখা ভাল শুরুটা হয়ে ছিল ছাত্রলীগের হাত ধরে। তারপর তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন শহরের চার নংওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন।

বর্তমানে ফরিদপুর শহর যুবলীগের জনপ্রিয় যুগ্ন আহবায়ক হিসেবে আসীন হয়েছেন। বলে রাখা ভাল যে, যখন বিএনপি জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় ছিল তখন তার পিতা এবং তার পরিবারের ওপর নির্মম নির্যাতন চালিয়েছে।ওই সময়ে তার বাড়ীর বিদ্যুৎ পর্যন্ত বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে মাত্র একমাসের বিল বকেয়া পরেছিল বলে। তখন কামরুল হাসান ডেবিটের সাথে পথচারী পর্যন্ত কথা বলতো না আতঙ্কে কারন কথা বলা যদি কেউ দেখে ফেলে তাহলে জোট সরকারের ক্যাডার বাহিনীরা বিভিন্ন ভাবে তাদের ওপর নির্যাতন চালাত।তাদের ঘরে বাজার থেকে চাল কিনে রিক্সায় করে আনবে ওই রিক্সাওয়ালা পর্যন্ত বেকায়দায় পরে যেত। আর পুলিশি হামলা মামলা তো ছিল নিত্য দিনের সঙ্গী।

তখন থেকেই মনের গহিনে যমতে থাকে সুপ্ত বাসনা আর তখনই স্বতঃস্ফূর্তভাবে জড়িয়ে পড়েন রাজনীতির মহাসংস্পর্শে। শুরু করলেন সাধারন মানুষদের পাশে থেকে কিভাবে তাদের সুখ দুঃখের পাশে থেকে নির্লজ্জ রাজনীতিকে হার মানানো যায়।তখনই আগমন ঘটে এই দক্ষিনবঙ্গের যুব সমাজের প্রান,যুব সমাজের কথার ভাষা,যুব সমাজের বদলে যাওয়া মনোবল,যুব সমাজের মধ্যে স্বচ্ছ রাজনীতির বীজ বপনকারী,মহামানব স্বচ্ছ রাজনীতির বীজ বপনের কারিগর,যুব সমাজের হাটর্থ্রব আইকন এ এইচ এম ফোয়াদ ভাইয়ের(জেলা যুবলীগের বিপ্লবী আহবায়ক)।তার হাত ধরেই ধীরে ধীরে স্বচ্ছ রাজীতির বীজ বপনের কাজটি করে আসছেন গেরদা ইউনিয়ন সহ পুরো ফরিদপুরে।এ এইচ এম ফোয়াদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে এগিয়ে চলছেন এ তরুণ যুব নেতা।

তারই ধারাবাহিকতায় গত দুই বছর আগে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তার পিতাঃ জনাব জাহিদুর রহমান জাহিদের পক্ষে তার একক নেতৃত্বে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে এবং সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দদের সাথে নিয়ে নৌকার পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে চতুর্থবারের মতো বিজয় ছিনিয়ে আনতে যে ভূমিকা রেখেছিল তা সত্যিই তার রাজনৈতিক দূরদর্শিতা, প্রজ্ঞা, এবং বিচক্ষণতার উদাহরণ। তার একটাই উদ্যেশ্য তার এবং তাদের পরিবারের মতো কোনও সাধারন মানষ যেন রাজনীতির দ্বারা নির্যাতিত না হয়।আসল কথা বলতেই হবে বাঘের জীনে বাঘ ই জন্ম নেবে। আর এটাই হলো বাস্তব সত্য।

কর্মীবান্ধব কামরুল হাসান ডেবিটের রয়েছে তৃণমূল পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ।যেমন কথা হলো ১১ নং গেরদা ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সংগ্রামী সাধারন সম্পাদক সুব্রত কুমার ঘোষ মিঠুনের সাথে।তার সাথে কথা বলে জানা যায় গেরদা ইউনিয়ন যুবলীগ তারই মমতার হাতে গড়া একঝাক তরতাজা তরুনের সমন্বয়ে গঠিত। বর্তমান জেলা ছাত্রলীগের অনেক নেতাই তার হাতে গড়া যারা কিনা অনেক ভাল অবস্থানে থেকে ছাত্ররাজনীতিকে নিয়ন্ত্রন করে আসছেন। কিন্তুু দুঃখের বিষয় ইদানিং লক্ষ করা যাচ্ছে কিছু সার্থন্বেষি পা চাটা মহল কামরুল হাসান ডেবিটের মতো যুব সমাজের আইকন এর পিছু লেগেছে যাতে ফরিদপুরে আর যাতে কেউ কোন ও দিন স্বচ্ছ যুব সমাজের মনের গহিনে স্বচ্ছ রাজনীতির বীজ বপণ করতে না পারে।

কিন্তুু তাদের মতো কুচক্রী মহল জানেনা যে এতে করে ফরিদপুরের রাজনীতি গহিন খাদে পরে যাবে এবং অন্ধকারে পতিত হবে। আর সেই সাথে সাথে যুব সমাজের আশা আকাংখারও মৃত্যু ঘটবে। আর যদি কামরুল হাসান ডেবিটের মতো নেতৃত্ব কোনদিন কোন ও কারনে হারিয়ে যায় তাহলে কোন ও একদিন দূর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ফিরে আসবেই।আর সেদিন এই সার্থন্বেষি মহলের কবর রচিত হবে এই ফরিদপুরের মাটিতেই। আর এটাই হবে যুব সমাজের জয়।

এ জাতীয় আরও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button