কবিতা: একুশে আমার আন্তর্জাতিক -কবি:সুশান্ত চন্দ্র বেপারী



কবি পরিচিতি: আজকে আমাদের এই বিংশ শতাব্দীর দক্ষিন অঞ্চল বাংলা সাহিত্যে উদীয়মান, তরুন কবি “সুশান্ত চন্দ্র বেপারী” ১৯৮৮সালের ১৬ জুলাই। তাঁর পৃতৃলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর জন্মস্থান ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলার ৩নং আমুয়া ইউনিয়নের এক নির্জন নিবিড় ছায়া ঘেরা, সুজলা-সুফলা আদর্শ ২নং ওয়ার্ড আমুয়া গ্রামে। তাঁর পিতা মহের নাম: শ্রী হরিচরণ বেপারী। পিতার নাম: শ্রী সুধীর রঞ্জন বেপারী এবং মাতার নাম: শ্রীমতি বিভা রানী বেপারী। বর্তমানে সে তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে প্রথম। কিন্তু, দুঃখের বিষয়- শৈশবে তিনি তাঁর ছোট দুই ভাইকে হারান অর্থাৎ মারা যান। তাঁর মেঝো ভাইয়ের নাম সুমান্ত বেপারী। এর পরে দু’বোন। বড় বোন সিমা রানী এবং ছোট বোন শিপ্রা রানী (সুমা) এবং ছোট ভাই সুজন বেপারী (সুজল) । বর্তমানে তিনি যে গ্রামটিতে বসবাস করেছেন সেই গ্রামটির হচ্ছে এক সুন্দর সুষমা মোন্ডিত এক অপূর্ব সৌন্দর্যের সমাহার। যাহার প্রান্তরে রয়েছে রাশি-রাশি সবুজ শ্যামল গাছের সারি। অর্থাৎ সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামলা, ঘন সবুজ ঘেরা, এক নির্জন নিবিড় ছায়া ঘেরা আদর্শ গ্রাম। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর। শত শত গাছের সারি। অসংখ্য লতা-পাতা এবং বহু সংখ্যক খাল-বিল, মাঠ-ঘাট, নানা প্রজাতির পশু-পাখি, কীট-পতঙ্গ ইত্যাদি। এই সমস্ত মিলিয়ে সেই গ্রামটির হচ্ছে যেন স্বর্গ তুল্য এক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলা ভূমি। আমাদের এই তরুন, উদ্দাম ও দুঃসাহসী কবির জীবনের উপরে দিয়ে বয়ে গেছে অনেক বাঁধা-বিপত্তি ও অনেক দুঃখ-দুর্দশা। যাহা হউক দরিদ্র সংসারে জন্ম বিদায় কঠোর পরিশ্রম, সংগ্রাম ও বাঁধা-বিপত্তির মধ্যে দিয়েই তার দিন গুলি অতিবাহিত হয়। কিন্তু, তার পারিবারিক নানাবিধি সমস্যা বলি ও ঘোর সংকট থাকা সত্ত্বেও তিনি তাঁর হাত থেকে লেখা-পড়া ছেড়ে দেননি। বাল্যকাল থেকেই তিনি অজানাকে জানার জন্য বিপুল উৎসাহী।

কবিতার :বই




কবিতা: একুশে আমার আন্তর্জাতিক
উৎসর্গ : (বিশ্বের সকল ভাষা শহীদদের পরমাত্মার মঙ্গল কামনা)

“হে একুশ, তুমি তো আজ আন্তর্জাতিক-খুশিতে মনটা দোলে।
তাইতো বাংলা মায়ের হাহাকার নিঃশ্বাস, নেই তো আজ হৃদয়ে!
হে একুশ, তুমি তো আজ আন্তর্জাতিক-তাইতো তোমার গৌরব সারা বিশ্বময়। হে একুশ, তুমি তো আমার বাংলা মায়ের অমূল্য রতন-তুমি তো আমার আজ বিশ্ব মায়ের সম্মান। হে একুশ তোমাকে “১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর” ইউনেস্কা কর্তৃক, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেয়।
তাই তো আজকে তোমার গৌরব, সারা বিশ্বে আলোকময়।
হে একুশ, তুমি আমার ছিলাম, বরকত, রফিক,শফিক, জব্বার ভাইয়ের বুকের সতেজ তাজা রক্ত।
তাছাড়া ও আসাদ, মতিউর,তপু, রায়হান ভাইয়ের-বুকের সতেজ তাজা রক্তের কণা।
এছাড়া ও বীরশ্রেঠ মোস্তাফা কামাল, এবং হামিদুর রহমানকে স্মরণ করা।
তাইতো হে একুশ, তুমি তো আজ আন্তর্জাতিক-তাইতো তোমার গৌরব সারা বিশ্বময়।
হে একুশ, তুমি তো আমার বাংলা মায়ের অমূল্য রতন-তুমি তো আজ বিশ্ব মায়ের সম্মান।
হে একুশ, তুমি তো সেই ৫২’ রই বাংলা ভাষার-অপমান, নির্যাতন আর প্রতিশোধের দাবানল।
হে একুশ, তুমি তো আমার ভোরের শিশির ভেজা, ফুটন্ত সতেজ তাজা লাল গোলাপ।
হে একুশ, তুমি যে আমার সেই ৫২’রই লক্ষ কোটি মা-বোনদের ইজ্জ্বত।
এছাড়া ও হে একুশ, তুমি তো আজ বাংলা মায়ের-লক্ষ কোটি মা-জননীর ফিরে পাওয়া, হারানো বুকের প্রিয়-মানিক।
হে একুশ, তুমি তো আজ আন্তর্জাতিক।

এ জাতীয় আরও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button