চিরচেনা রুপে ফিরছে ঢাকা


অবশেষে ঢাকা ফিরছে তার চিরচেনা রুপে।আজ থেকে প্রায় সব ধরনের অফিস ও সেবা কার্যক্রম চালু হচ্ছে।
খুলেছে সরকারি-আধা সরকারি অফিস। ট্রেন-লঞ্চ চালু হয়েছে রবিবার থেকেই। আজ থেকে ঘুরছে গণপরিবহনের চাকা। করোনা ঝুঁকি মাথায় নিয়ে অফিস শুরু করেছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিরা।

মানুষের যাতায়াত বাড়ায় রাজধানী ফিরে পেতে শুরু করেছে চিরচেনা রূপ। ব্যস্ততা বেড়েছে সড়কে। কোথাও কোথাও যানজট ও দেখা গেছে।কাওরানবাজার এলাকায় কথা হয় প্রাইভেট কার চালক আনিসের সঙ্গে। লকডাউনের পর পটুয়াখালীর গলাচিপার বাড়িতে ছিলেন তিনি।

সরকার সব খুলে দিচ্ছে জেনে ছুটে এসেছেন শনিবার। তিনি বলেন, টাকা নেই। খাবার নেই। ধার দেনা করে চলছেন। বাধ্য হয়েই গাড়ি নিয়ে বের হয়েছেন তিনি।তার পাশে দাঁড়ানো পিকআপ চালক মামুন বলেন, সরকার যদি দুই মাসের খাওন দিতো, আমরা ঘরেই থাকতাম। মরণের ভয়তো সবারই আছে। এখন পেট বাঁচাইতে রাস্তায় নামছি।

মামুন সাভার থেকে পিকআপযোগে বাসার আসবাবপত্র নিয়ে আরামবাগ যাচ্ছিলেন বলে জানান।মালিবাগ, হাতিরপুল, ধানমন্ডি এলাকায় দেখা গেছে রিকসার ভিড়। রিকসাতেই যানজট সৃষ্টি হচ্ছিলো বিভিন্ন সড়কে।

রিকসা চালকরা জানান, দীর্ঘদিন পাড়া মহল্লার রাস্তায় রিকসা চালালেও যাত্রী মিলেনি তেমন। গত কয়েক দিন যাবত আগের মতোই যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে। সরকার সব খুলে দিচ্ছে জেনে রাস্তায় বের হচ্ছে মানুষ।চায়ের দোকান থেকে শুরু প্রায় সব ধরণের দোকান খোলা দেখা গেছে এ শহরে।

ফুটপাতে মানুষের ভিড়। খুলেছে বিভিন্ন দোকান। কাওরানবাজার, শান্তিনগর বাজার, হাতিরপুলের কাঁচাবাজারে মানুষের উপচেপড়া ভিড়। শাহজাহানপুর থেকে রিকশায় ধানমন্ডির একটি মার্কেটে যান ব্যবসায়ী রাকিব হাসান। তিনি জানান, জরুরি প্রয়োজনে বের হয়েছেন। তার ধারণা ছিলো রাস্তায় লোকজন কম হবে। কিন্তু বাসা থেকে বের হয়ে হতভম্ব হয়েছেন তিনি।

যেনো আগের ব্যস্ত নগরীর চেহারায় ফিরেছে ঢাকা।
পুলিশ সদরদপ্তরের এআইজি সোহেল রানা বলেন, পুলিশর তৎপরতা কমেনি। সরকারি যেসব শর্ত রয়েছে তা মেনে, স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ করেই সবাইকে চলতে হবে। এজন্য পুলিশ তৎপর বলে জানান তিনি।

এ জাতীয় আরও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button