ত্রাণ সামগ্রী_তে এবার সব্জি আইটেমটি যোগ করা হোক।

পটল, ঝিঙে, বেগুন, ঢেঁড়স, যেকোনো সব্জির দাম রাজধানীর বাজারে ৪০ থেকে ৫০ টাকার নিচে নয়। অথচ জানা গেছে, গ্রামের কৃষকরা বিশ টাকা পাল্লাও ( ৫ কেজি) বিক্রি করতে পারছেন না। এমন দামের অবস্থা হলে কিন্তু চাষীরা সত্যি মরে যাবে।

একশ্রেণীর মধ্যস্বত্বভোগী বা ফড়িয়ারা এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি করে রেখেছেন বহুকাল ধরে। অসহায় চাষী বাধ্য হয়ে ফড়িয়ারা যে দাম বলছে সেই দামেই ছেড়ে দিচ্ছে,ভাবছে মাঠে ফসল নস্ট হবার চেয়ে যেটুকু দাম পাওয়া যায় তাই ভালো।

ত্রাণ বলতেই বুঝি আমরা চাল, ডাল আটা, ময়দা, তেল ইত্যাদি। চাল-ডাল-আটা এগুলো মানুষের কাছে কিন্তু এখন মোটামুটি ভাবে পর্যাপ্তই আছে বলা যায়। এবার একটু অসহায় চাষীদের কথা ভেবে যদি সকল প্রকার ত্রাণসামগ্রীতে সব্জি-তরিতরকারি আইটেমগুলি অন্তর্ভুক্ত করা যায়, তাহলে একদিকে যেমন চাষীরা বাঁচে, অন্যদিকে গরীব অসহায় মানুষ যাদের হাতে সব্জি কেনার অর্থ নেই তারাও উপকৃত হয়।

অবশ্য দেশের কয়েকটি এলাকায় ” ১ মিনিটের বাজার” শিরোনামে সেনাবাহিনীর ভাইয়েরা সব্জি আইটেম দিয়ে ত্রাণ বিতরণ করা শুরু করেছেন, যা অনেক প্রশংসার দাবি রাখে। দেশের সরকার, সকল রাজনৈতিক দলের স্বেচ্ছাসেবক কর্মী, বন্ধু,শুভান্যুধায়ী, যারা এই দুর্যোগে বীরের মত এগিয়ে গিয়ে দাড়াচ্ছেন আর্ত পিড়ীতের পাশে, এবার চেস্টা করুন গ্রামের প্রান্তিক চাষীদের কাছ থেকে যদি সরাসরি ঢেঁড়স_পটল_বেগুন_ঝিঙে_উচ্ছে_লাউ_কুমড়ো এসব কিনে গরীবের হাতে তুলে দেয়া যায়…একটু ভাবুন! পরিস্থতির শিকার গ্রামের চাষীদের থেকে সরাসরি সব্জি কিনে, সেই সব্জি বিতরন শুরু হোক দিকে দিকে। অসহায় চাষীদের ক্ষতির বহর কিছুটা হলেও কমাতে পারে আমাদের এই উদ্যোগ।

প্রদীপ সাহা‌,গীতিকার।

এ জাতীয় আরও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button