নারায়ণগঞ্জের মানুষের বলে বলিয়ান স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী এড. তৈমুর আলম খন্দকার

আমি জনগনের থেকে যে প্রত্যাশা করেছিলাম সে রকম সমর্থনই পাচ্ছি। এটা স্থানীয় নির্বাচন, এখানে মানুষের অনেক রকমের চাহিদা থাকে। তাদের চাহিদার কারনে আমাকে নির্বাচনে অংশ নিতে হয়েছে। ভোট দিবে জনগন, জনগনের সাথে যার সম্পৃক্ততা আছে সেই নির্বাচিত হবে।

আল্লাহ যদি মেহেরবানি করে তাহলে ১৬ই জানুয়ারি দেখবেন যে তৈমুরের সাথে জনগনের কেমন সম্পৃক্ততা আছে। আমার এ নির্বাচন নিয়ে যদি দলের কোন অসুবিধা থাকতো তাহলে মিডিয়ায় কিন্তু বিষয়টা চলে আসতো। নারায়ণগঞ্জে প্রথম সিটি কর্পোরেশনের প্রস্তাব আমিই করেছি। সেই সিটি কর্পোরেশন যদি নগরবাসীর চাহিদা পুরণ করতে না পারে, তাহলে আমার একটা দায়িত্ব কিন্তু দাড়ায়। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই আমি নির্বাচন করছি।

কথা গুলো বলেছেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সিটি কর্পোরেশনের স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী এড. তৈমুর আলম খন্দকার। মঙ্গলবার (২১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় দেয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি এসব কথা বলেন।

এড. তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, ২০১১ সালে আমি ছিলাম আমার দলের মনোনিত প্রার্থী। দলের প্রতি আমার একটা দায়বদ্ধতা ছিলো এবং আছে, সেকারণেই দলের আদেশ পাওয়া মাত্রই নির্বাচন থেকে সরে গেছি। কুমিল্লার একজনকেও বসে পরতে বলা হয়েছিলো, সে কিন্তু বসে নাই, সে জয় লাভ করছে। সারা দেশের জন্য দল যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে নারায়ণগঞ্জেও একই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে। তবে এবার আমি জনগনের মনোনিত প্রার্থী। এবার আমার বসে যাওয়ার কোন সুযোগ নাই। আমি বসে গেলে জনগন আমার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

তিনি বলেন, আমার জ্ঞান হওয়ার পর থেকে আমি খেটে খাওয়া মানুষের জন্য লড়াই করেছি। নারায়ণগঞ্জে পাঞ্চায়েত প্রথা পুনঃজাগরন করেছি আমি। এখানে যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো দেখবেন সেগুলো আমার মায়ের নামে। নারায়ণগঞ্জ কলেজ যখন করা হয় তার প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে আমি সেটার সাথে ছিলাম। এমন কোন সেক্টর নাই যেখানে আমার ভুমিকা নাই।

তিনি আরও বলেন, আমরা নিজেকে অনেক বেশি চালাক মনে করতে পারি, কিন্তু আমার থেকে বেশি চালাক জনগন। এই সরকার ইউনিয়ন পর্যায়ে পর্যন্ত নিজেদের প্রতিক দিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে রাজনীতি প্রবেশ করিয়েছে। কেউ নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে চাইলে ৩শ লোকের সমর্থন লাগে, কেউ একজন না হলে নমিনেশন বাদ। এটি গনতন্ত্র বিরোধী এবং ব্যক্তি স্বাধীনতা বিরোধী। আমার বিশ্বাস সরকার এ নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত কোন ইঞ্জিনিয়ারিং করবে না, যদি করে সে দায়-ভার সরকারের। জনগনের প্রতিরোধের মুখে সরকার কোন বিষয় না। সরকার ট্যাক্স বাড়ায় দিসে, সড়কে কোন নিরাপত্তা দিতে পারছে না। তাই মানুষ ঘুরে দাড়িয়েছে। তার প্রামন হলো এবার কিন্তু স্বতন্ত্র থেকে অনেকে পাশ করছে। আমি সেই তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) জনপ্রতিনিধিকে সম্মান জানাই যে কিনা নৌকাকে পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছে

এ জাতীয় আরও সংবাদ

Back to top button