না.গজ্জে ২৬ দিন পর স্বজনরা পেলেন প্রিয় মানুষের লাপশরূপগঞ্জে অগ্নিকান্ড ট্রাজিটিঞ্জ

ধবার (৪ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গের সামনে মরদেহগুলো পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়। এ সময় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মরদেহ দাফনের জন্য ২৫ হাজার টাকা করে দেয়া হয়।

নাম ঠিকানা মিলিয়ে স্বাক্ষর করে টাকা গ্রহণের পর স্বজনদের কাছে মরদেহগুলো বুঝিয়ে দিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে তুলে দেয়া হয়। এ সময় স্বজনদের কান্না আর আহাজারিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গ এলাকার পরিবেশ ভারি হয়ে ওঠে।

এর আগে সিআইডি পুলিশের এডিশনাল ডিআইজি ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ) ইমাম হোসাইন প্রেস ব্রিফিং এ জানান, অগ্নিকাÐে নিহত ৪৮ জনের শরীর সম্পূর্ণরূপে পুড়ে যাওয়ায় তাদের চেনার উপায় ছিল না। তাই মরদেহ শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়।

পরীক্ষা শেষে ৪৮ জনের মধ্যে ৪৫ জনের পরিচয় শনাক্ত হয়। তাদের মধ্যে আজ ২৪ জনের মৃতদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। অবশিষ্ট ২১ জনের মরদেহ শনিবার হস্তান্তর করা হবে।

নিউজ-০০৩ছবি-

জালকুড়িতে বাদিকে অভিযোগ তুলে নিতে হুমকি

‘আমাগো লগে লাগিস না, তোরে বাঁইচা থাকতে দিমু না’

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট: জমির জন্য জালকুড়িতে বড় ভাই ও তার স্ত্রী-সন্তানকে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় করা অভিযোগ প্রত্যাহার করতে বলেছেন আসামিরা৷ নয়তো তাঁকে ও স্ত্রী সন্তানকে হত্যা করার হুমকি দেওয়া হয়েছে৷

ছোট ভাই ও দুই মামার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ এনে মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) রাতে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আরেকটি অভিযোগ করেন মো. শাহীন।

একই সাথে জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন তার স্ত্রী ও সন্তান।

অভিযুক্তরা হলেন- জালকুড়ি পশ্চিমপাড়া বড় মসজিদ এলাকার মোবারক হোসেনের ছেলে শাকিল, গোদনাইল পশ্চিম ধনকুন্দা এলাকার মৃত. সামাদের ছেলে সিরাজ ও ফিরোজ। এছাড়াও অজ্ঞাত নামা আরো ৪-৫ জনকে আসামী করা হয়েছে।

অভিযোগে মো. শাহীন উল্লেখ করেন, জমির জন্য ছোট ভাই শাকিল, দুই মামা সিরাজ, ফিরোজসহ পরিবারের সদস্যরা গত ৩০ জুলাই দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে তাকে ও তার স্ত্রী, সন্তানকে হত্যার চেষ্টা করে ছিল। সেই ঘটনায় ওই দিনই বিকালে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। ২ আগস্ট কাজ থেকে ফেরার পথে ছোট ভাই শাকিল, দুই মামা সিরাজ, ফিরোজ অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনকে নিয়ে হুমকি দেন। আমি কোন কথা না বলায় ‘আমাগো লগে লাগিস না, তোরে বাঁইচা থাকতে দিমু না’ বলে হুমকি দেন৷

বাদী শাকিল বলেন, আসামিরা শুধু তাঁকেই নয়, আমার কাছে আমার স্ত্রী ও সন্তানকেও হত্যার হুমকি দেন৷ এরই মধ্যে আমাকে ছেড়ে নিরাপত্তাহীনতা থেকে আমার স্ত্রী-সন্তান চলে গেছেন৷ আসামিরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় আমিও বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র থাকছি।

এ ব্যাপারে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার (ওসি) মশিউর রহমান বলেন, ‘অভিযোগটি এখনও আমার কাছে আসেনি। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বলতে পারবে।’

এ জাতীয় আরও সংবাদ

Back to top button