না.গঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইলে ফের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা প্রায় পাঁচ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা আবারও উচ্ছেদ করেছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ। সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুর ১১টা থেকে ২ টা পর্যন্ত সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল মোড়ে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ সাইফুল ইসলাম নেতৃত্বে এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের সমন্বয়ে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল এলাকায় সরকারি জায়গা দখল করে মুরগী রিপন
নামে এক চাঁদাবাজ চক্র বিভিন্ন দোকানপাট থেকে দীর্ঘদিন ধরে নির্দিষ্ট হারে হকারদের কাছ থেকে ভাড়া আদায় করে আসছিল। এসব দোকান থেকে এককালীন ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা অগ্রিম নিয়ে দৈনিক ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া
আদায় করা হতো।

গত ১৯ ডিসেম্বর থেকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ কয়েকবার উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করলেও পুনরায় ওই জায়গায় অবৈধ এসব দোকানপাট বসতো।

রাস্তায় নিয়মিত চলাচল করা দিদারুল আলম নামে এক পথচারী জানান, মহাসড়কের এসব দোকানপাট গড়ে উঠায় পথচারীদের চলাচল করতে অনেক অসুবিধা হতো। প্রতিনিয়তই মানুষের জটলা লেগে থাকায় এখানে পকেটমার ও ছিনতাইকারীর আনাগোনা বেশি ছিল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন হকার ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, মুরগী রিপন ও তার সহযোগীরা প্রতিদিন পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক বিভাগের নাম করে চাঁদা উত্তোলন করতো।

তারা আরও জানান, মুরগী রিপনকে চাঁদা না দিলে তিনি ও তার বাহিনীর সদস্যরা আমাদেরকে শারীরিকনির্যাতনের পাশাপাশি উচ্ছেদের হুমকিসহ পুলিশ দিয়ে হয়রানি করার হুমকি দিতো। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, যানচলাচল স্বাভাবিক রাখতে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার স্যারের নির্দেশে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরেই অবৈধ দখলদারদের এসব অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেয়ার জন্য বলা হয়েছিল।

মহাসড়কে প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলায় এ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। উল্লেখ্য, মুরগী রিপন নামে ওই চাঁদাবাজ গত ৩ মে সিদ্ধিরগঞ্জের হীরাঝিল এলাকা থেকে র‍্যাব-১১’র হাতে গ্রেফতার হলেও দুইদিনের মধ্যেই তিনি জামিনে বেরিয়ে আসেন।

এ জাতীয় আরও সংবাদ

Back to top button