ফরিদপুরের সালথা উপজালায় বাবা- ছেলে (কোভিড-১৯) করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন

ফরিদপুরে সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের নটখোলা গ্রামের বাসিন্দা । ৩১মে, ২০২০ রবিবার করোনা উপসর্গ দেখা দিলে, স্ত্রীও ৩ বছর বয়সের ছেলে সহ বাবার নমুনা পরীক্ষা করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল করোনা শনাক্ত ল্যাব। এতে বাবা ও ছেলের করোনা ভইারাসে পজেটিভ আসে, এবং স্ত্রীর নেগেটিভ আসে। ১ জুন ২০২০ সোমবার, স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, আক্রান্ত ব্যক্তি ঢাকায় একটি রংয়ের কারখানায় কাজ করার পাশাপাশি ফরিদপুর মোশারফ হোসেন ইজ্ঞিনিয়ারিং কলেজে অনার্স অধ্যায়নরত ছিলেন। ঈদের কয়েকদিন আগে ঢাকা থেকে বাড়িতে আসে সে। পরে গতকাল রবিবার তার করোনা উপসর্গ দেখা দিলে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল করোনা শনাক্ত ল্যাবে তাদের (বাবা-ছেলের) নমুনা পরীক্ষা করে পজেটিভ পায় হাসপাতাল কতৃপক্ষ।

এদিকে এ খবর শুনে গ্রামবাসীর মাঝে এক ধরনের শঙ্কা বিরাজ করছে ! কমিউনিটি সংক্রমণ শুরু হয়ে গেল? এলাকার সাধারন মানুষ বলছেন, আশঙ্কার কথা, কারন এটা যেহেতু ছোঁয়াচে রোগ। আর কার সংস্পর্শে ওই ব্যক্তির এ রোগ হয়েছে বা আক্রান্ত ব্যক্তি কোথায় কোথায় গিয়েছেন কারা তার সংস্পর্শে এসেছে সেটা চিহ্নিত না করা হলে এটা অনেক বড় বিপদের কারন হয়ে দাড়াতে পারে। এভাবেই সংক্রমণ শুরু হয়ে যাবে এই সালথা উপজেলায়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো: ইফতেখার (আজাদ) জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে তাতে কারোরই পজেটিভ আসেনি। কিন্তু ফরিদপুর করোনা শনাক্ত ল্যাব থেকে নমুনা পরীক্ষা করে ৩ বছরের ছেলেসহ বাবা (কোভিড -১৯)করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়ি সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের নটখোলা গ্রামে।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ হাসিব সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে আক্রান্ত ব্যক্তি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত বাবা- ছেলে বাড়িতেই আছে। আশপাশের লোকেদের তাদের সাথে মিশতে নিষেধ করা হয়েছে।

সালথা প্রতিনিধি :
আকাশ সাহা

এ জাতীয় আরও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button