‘বাংলাদেশের ব্যাটাররা সববল মারতে চান

টেস্ট ক্রিকেট হলো দক্ষতার সর্বোচ্চ প্রদর্শনীর জায়গা। এ জন্যই প্রাচীন এই ফরম্যাট সবচেয়ে ‘অভিজাত’ হিসেবে পরিচিত। টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার ২১ বছর পার হলেও বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা এই ফরম্যাটে অভ্যস্ত হয়ে উঠতে পারেননি। দেশে কোনো টেস্ট সংস্কৃতি কিংবা অবকাঠমো গড়ে ওঠেনি। তাই হঠাৎ হঠাৎ একটা করে জয় নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে।

নিউজিল্যান্ডের মাটিতে চলতি সফরে প্রথমবার টেস্ট জিতেছে বাংলাদেশ। মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে টাইগারদের পারফরম্যান্স এবং শরীরী ভাষা ছিল দেখার মতো। কিন্তু ক্রাইস্টচার্চে এসেই আবার পুরনো চেহারায় বাংলাদেশ। বোল্ট-সাউদিদের ভয়ংকর পেস আক্রমণের মুখে প্রথম ইনিংস ধসে গেছে মাত্র ১২৬ রানে। দলের ৯ ব্যাটার দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি। অথচ নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক টম লাথাম একাই করেছেন এর দ্বিগুণ, ২৫২ রান।

বাংলাদেশ হয়তো আজ ১০০ রানও করতে পারত না, যদি ছয় নম্বরে নামা ইয়াসির আলী রাব্বি ৫৫ ও সাতে নামা নুরুল হাসান সোহানের ৪১ রান না আসত। টাইগারদের ফলোঅন করানো হবে কি না―সেই সিদ্ধান্ত কাল সকালে নেবে নিউজিল্যান্ড। দিনশেষে বাংলাদেশের ব্যটারদের সমস্যা খুঁজে পেয়েছেন ব্যাটিং কোচ অ্যাশওয়েল প্রিন্স। তাঁর শিষ্যরা যে বল ছেড়ে খেলতে আগ্রহী নন, সেটা প্রকাশ্যেই তিনি বলেছেন। আগামীকালের জন্য শিষ্যদের এই পরামর্শই দেবেন প্রিন্স।

সংবাদ সম্মেলনে প্রিন্স বলেন, ‘আমরা নিউজিল্যান্ড ব্যাটারদের কাছ থেকে দেখেছি, অফস্ট্যাম্পের বাইরের অনেক বল ছেড়ে খেলেছে। কিউই ব্যাটারদের ক্ষেত্রে এটা সহজাত বৈশিষ্ট্য। কারণ তারা বাউন্সি উইকেটে বেশি খেলে। আমাদের ছেলেরা বেশির ভাগ বল ব্যাটে খেলে থাকে। আমার মতে, মাউন্ট মঙ্গানুইতে আমরা অনেক বল ছেড়েছি এবং ব্যাকফুটে ভালো খেলেছি। আমি মনে করি, আজকেও আমরা আরো বেশি বল ছেড়ে খেলতে পারতাম। আশা করছি, আগামীকাল আমরা ভালো একটা শুরু করতে পারব। আমার মতে, অফস্ট্যাম্পের বাইরের আরো বেশি বল ছাড়তে হবে।’

এ জাতীয় আরও সংবাদ

Back to top button