মরমী কবি মোহনলাল,সরকারী পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে আলোর মুখ দেখেনি উনার সাহিত্যকর্ম ও প্রায় সহস্রাধিক গান


হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচংবাসীর নিকট উনি সমাদৃত ছিলেন ডাঃ মনীন্দ্র চন্দ্র পাল নামে।প্রায় অর্ধশত বছর নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে উনি এলাকাবাসীকে চিকিৎসা সেবা দিয়ে গেছেন।উনার যশ এতটাই ছিল যে সুদুর ময়মনসিংহ হতে উনার কাছে রোগী আসতো।উনিশ শতকে উনার মত অভিজ্ঞ ডাক্তার খুব কমই ছিলো।

উনার জন্মভুমি ছিলো ব্রাহ্মণবাড়ীয়া শহরের মধ্যপাড়ায়।২০ বছর বয়সে উনি সুষমা রাণী পালের সঙ্গে পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ হন।প্রায় ত্রিশ বছর বয়সে উনি হবিগঞ্জে চলে আসেন কর্মস্থলে।পরবর্তীতে বানিয়াচং উপজেলার দত্তপাড়ায় উনি স্হায়ী হয় যান।মৃত্যু অবধি বানিয়াচংবাসীকে নিষ্টার সহিত সেবা দিয়ে গেছেন।ডাক্তারী পেশায় তুমুল জনপ্রিয়তার কারনে আর পিছনে ফিরে থাকাতে হয়নি।

ব্যক্তি জীবনে পাচ সন্তানের জনক ছিলেন।জন্মের পর পরই দুই পুত্র সন্তানকে হারিয়েছেন।উনার তিন মেয়ে জীবিত আছেন।শুনা যায়,পুত্র শোক হতেই উনি গান লিখা শুরু করেন।উনার গানের সংখ্যা সহস্রাধিক। সাহিত্যের সবখানেই ছিলো উনার অবাধ বিচরণ।উনার শিল্পকর্মের পেছনে যারা নীরবে ভুমিকা রেখে গেছেন, তারা হলো সহধর্মীনি সুষমা পাল।তিন মেয়ে,শোভনা দত্ত,
সাধনা হোম,
অর্পণা গুপ্ত।উনার তিন মেয়ে স্ত্রী পুত্র,নাতী সমেত সবাই জীবিত আছেন।উনার মধ্য কন্যা সাধনা হোম BD News কে বলেন–
আমার জীবনের একমাত্র চাওয়াই হলো,বাবার এই মহৎ শিল্পকর্ম গুলো যেন আলোর মুখ দেখে।সরকারী পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে অনেক গান হারিয়ে যাচ্ছে,নকল হয়ে যাচ্ছে।এমন মহৎ শিল্পকর্ম যেন খুব শীঘ্রই আলোর মুখ দেখে।
পরিশেষে উনি কতৃপক্ষের আশু দৃষ্টি কামনা করেন।

এই গানগুলো অমুল্য রত্ম।আমাদের ভাষা,সাহিত্য ,সংস্কৃতি ও নৈতিকতার অমুল্য নিদর্শন।গানগুলোকে বাচিয়ে রাখা আমাদের সবার কর্তব্য।।

এ জাতীয় আরও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button