সরকারি কোনো সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন না নিঃসন্তান বিধবা রোকেয়া বেগম

আকাশ সাহা: সালথা প্রতিনিধি: ফরিদপুরের সালথায় সরকারি কোনো সুযোগ-সুবিধা পাননা ষাটোর্ধ্ব নিঃসন্তান বিধবা মহিলা, থাকেন জীণশীর্ণ ঘরে। এমই দৃশ্য দেখা গিয়েছে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের মেহেরদিয়া গ্রামে। এই ষাটোর্ধ্ব নিঃসন্তান বিধবা মহিলা মেহেরদিয়া গ্রামের মৃত সোহরাফ মাতুব্বরের স্ত্রী রোকেয়া বেগম (রুকি)। থাকেন পিতা মৃত আকমল মুন্সীর ভিটায়। বাবা মারা যাওয়ার পর আর কখনো মেরামত করা হয়নি তার পাটকাঠি দ্বারা বেষ্টিত শত ছিদ্রের টিনের ঘরটি। একটু বৃষ্টি হলেই টিনের ছিদ্র দিয়ে বৃষ্টি পড়ে অনায়াসে, কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে ঘরটি। ভেঙ্গে পড়েছে মাটির তৈরী ডোয়ার চারপাশও। বয়সের ভারে নুইয়ে পড়েছে তার শরীর। বাসা বেধেঁছে নানা রকম অসুখে। ষাটোর্ধ্ব এই মহিলা কানে কম শোনে দেখতেও পাননা ঠিকমতো। আয় রোজগারের কোনো উপায় না থাকায় চলেন অন্যের দয়ায়। অর্ধাহারে অনাহারে থাকেন কখনো কখনো। অসুস্থ্য হয়ে ঘরে পড়ে থাকলে খোঁজ নেওয়ার মতো নাই কেহ। কি হবে এই ষাটোর্ধ্ব নিঃসন্তান বিধবা মহিলার, কে দেখাবে মানবিকতা, কে নিবে তার দায়িত্ব? এমনকি প্রশ্ন সচেতন মহলের। তার বিষয়ে এলাকাবাসীর সাথে কথা হলে তারা জানায় এই নিঃসন্তান বিধবা মহিলার স্বামী অনেক আগেই মারা গিয়েছে। স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি বাবার ভিটায় ফিরে আসেন। এসময় ষাটোর্ধ্ব নিঃসন্তান বিধবা মহিলা রোকেয়া বেগম (রুকি) সরকারি কোনো সুযোগ-সুবিধা পেতে চান কি না জানতে চাইলে তিনি তা নিতে আগ্রহের সাথে সম্মতি প্রকাশ করেন। এ বিষয়ে গট্টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান লাভলু জানান, তিনি ব্যস্ত আছেন পরে জানাবে। এ বিষয়ে সালথা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ তাছলিমা আক্তার জানান,সরকারি কোনো সুযোগ-সুবিধা আসলে অবশ্যই দিব। আপাতত উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করবো।

এ জাতীয় আরও সংবাদ

Back to top button