১৬ ডিসেম্বর কে কেন্দ্র করে লাল সবুজের পতাকা বিক্রি হেটে হেটে।

বিজয়ের চেতনার মাস ডিসেম্বর মাস। ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে এটি চুড়ান্ত রুপ ধারণ করে। এ ডিসেম্বর মাসের শুরু থেকেই জাতীয় পতাকা তৈরি ও বিক্রি বেড়ে যায়। ১৬ ডিসম্বের আসতে আর মাত্র ৩দিন বাকি। ফলে পিরোজপুর জেলাতে জাতীয় পতাকা বিক্রির ধুম পড়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বাড়ির ছাদে, বারান্দায়, ভ্যান, রিক্সা, অটো এমনকি মোটর সাইকেলে উড়ছে লাল-সবুজের জাতীয় পতাকা।

গ্রামে-গঞ্জে, পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে বিভিন্ন অলিতে-গলিতে মৌসুমী পতাকা বিক্রেতারা হাঁকডাক দিয়ে বিক্রি করছেন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা।

ডিসেম্বরের শুরু থেকে পতাকা বিক্রির উৎসব শুরু হয়েছে। চলবে বিজয় দিবস পর্যন্ত। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পতাকা বিক্রি করছেন একশ্রেণীর মৌসুমি বিক্রেতা। এমন একজন মোঃ রাসেল খান, বয়স ২৩। বছরের অন্য সময় রেস্তোরাঁয় কাজ করলেও এ সময়টা পতাকা বিক্রি করে। কারণ জানাল, ‘এইডা বিজয়ের মাস, সবাই পতাকা কেনে তাই ব্যবসা ভালা হয়। আর পতাকা বিক্রি করাটাও সোজা।’

এছাড়া জাতীয় পতাকা ক্রেতারা বলেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদের ও বীরমুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান জানাতে জাতীয় পতাকা কিনছি।

আজকে সকালে রিকশার সামনে বেলের পাশে বাঁধা ছোট্ট একটি জাতীয় পতাকা। ১০ টাকা দিয়ে কিনেছেন। মোঃ রাসেল হাওলদার বললেন, ‘সারা দিন কত মানুষ ভাড়া নিয়ে যে রকম ব্যবহার করে আমাদের সাথে, সব ভুলে যাই যখন এই পতাকার দিকে চাই।’

সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় পিরোজপুর সরকারী বালিকা স্কুলের সামনে তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী লামিয়া ইসলাম দুটি পতাকা বেছে নিল। একটি নিজের জন্য, আর একটি বড় বোনের জন্য। লামিয়া বলল, ‘পতাকার জন্য যুদ্ধ দেখিনি, কিন্তু গল্প শুনেছি, আর বইতে পড়েছি।’

বীরমুক্তিযোদ্ধারা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে আমরা মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়ে এই লাল-সবুজের স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি। এই পতাকা যেন অবমাননা করা না হয়। সেদিকে খেয়াল রাখার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ করছি।

এ জাতীয় আরও সংবাদ

Back to top button